যেমন ছিল আমার ২০১৯ঃ গবেষণা এবং জীবন

তিনটি শব্দে বছরটির সারসংক্ষেপ করতে গেলে যা দাঁড়ায় তা হলোঃ পুরোই দৌড়ের উপর।
গত জানুয়ারীতে আমস্টারডাম শহরের জমকালো আলোকসজ্জায় যখন নতুন বছরের উৎযাপন করছিলাম তখন বোঝার কোন উপায় ছিলনা কি অপেক্ষা করছে এ বছরে।

আমস্টারডাম - ব্রাসেলস ট্যুর শেষ করে অক্সফোর্ডে প্রথম দিন ল্যাবে গিয়ে পুরাতন ইমেইল ঘাটতে গিয়ে বুঝলাম একটা বিশেষ ইমেইল প্রথমবার পড়ার সময় বিশাল ভুল করে ফেলেছি। সেই ইমেইলটি ছিল একটা সম্মেলনের বিষয়ে।


ক্রিসমাসের ছুটি ২০১৯

গত ক্রিসমাসগুলোতে ছুটির সময় নিয়মিত দেশে যাওয়া হলেও, এবার যাচ্ছি না। গবেষণার চাপ সামলাতে গিয়ে এত বেশি কাজ জমা পরে গেছে যে এই সময় ছুটি কাটানোটা খুব একটা যুক্তিযুক্ত মনে হয়নি আমার কাছে।


নিউ ইয়র্ক

নিউ ইয়র্ক ঘোরাঘুরি শেষ করে বাল্টিমোরে যাচ্ছি।

আজকের আবহাওয়া বেশ রৌদ্রজ্জল আর ঝলমলে। গত দুইদিন এমন মেঘলা আবহাওয়া ছিল যে আকাশচুম্বী বিল্ডিংগুলোর মাথা দেখা যাচ্ছিল না।

নিউ ইয়র্কে ছিলাম এক বন্ধুর বাসায়। ও কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে পোস্টডক। ইউনিভার্সিটির হাউজিং এর একটা ফ্ল্যাটে থাকে। ঘোরাঘুরি যা করেছি সব ম্যানহাটন এলাকায়।


গন্তব্য বাল্টিমোর

জানুয়ারি মাসটা ব্যস্ততার মধ্যে কখন কেটে গেল টেরই পেলাম না। আমস্টারডাম-ব্রাসেলস ট্যুরের পর তাই অক্সফোর্ড এর বাইরে কোথাও যাওয়া হয়নি।

আজকে প্রথম অক্সফোর্ডের বাইরে বের হলাম। বাসে উঠলাম একমাস পর। যাচ্ছি হিথ্রো এয়ারপোর্টের দিকে।


বই পড়া

আমার স্কুল জীবন পার করেছি কুড়িগ্রামে। ছোট শহর হওয়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে বিষয়ে পড়ার ব্যবস্থা সেখানে খুবই কম ছিল। ইন্টারনেট তখনও সেভাবে আসেনি। আর বোর্ড বইয়ের বাইরের কোন বই কুড়িগ্রামে পাওয়া কঠিন ছিল। তারপরও স্কুলের পড়াশুনা চুকিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের একটা সাবজেক্ট পড়ে এখন বিশ্ববিখ্যাত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরোসায়েন্সে পিএইচডি করছি; এর অনেকটা কৃতিত্ব আমার জীবনে পড়া বইগুলোর।


বৃষ্টির প্রতি ভালবাসা

বৃষ্টি নিয়ে কাব্যিক ঢঙে এই কথাগুলো লিখেছিলাম সম্ভবত ২০১৪-১৫ সালের দিকে। আজকে হঠাৎ করে লেখাটা পড়ে মনে হল আগে কখনও আপলোড করা হয়নি। যদি আপলোড করেও থাকি আরেকবার পড়ে নিতে পারেন। অনুভূতিপ্রবণ একটা লেখা।
 
 
=o=

লিসবন যাচ্ছি

আজকে রবিবার। ছুটির দিন। তারপরও কাল পর্তুগালের রাজধানী লিসবন যাচ্ছি বলে হাতের কিছু কাজ সারতে বিকেল বেলা ল্যাবে গেলাম।


গণতান্ত্রিক দেশে মানুষ আন্দোলন কেন করে?

কারণ আন্দোলনের মাধ্যমেই একমাত্র জনগণের মনের কথা জানা যায়।

মিডিয়ায় কথা বলা, টকশো, সরকারকে স্মারকলিপি প্রদান এগুলোর মাধ্যমেও আমরা আমাদের নিজেদের ইচ্ছা সরকারকে জানাতে পারি। তবে সেটা সাধারণত মুষ্টিমেয় লোকের ইচ্ছার কথা। ইস্যুর ভিত্তিতে সমষ্টীগত জনগণের ইচ্ছা প্রকাশের একটাই উপায়। আর সেটা হল আন্দোলন।


নিজেই নিজের পুলিশ ও বিচারক

গতমাসে জার্মানির বার্লিন শহরে গিয়ে একটা বিষয়ে আমি বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

শহরের কোন বাস, ট্রেন বা ট্রামে টিকেট চেক করা হয়না। কিন্তু মেশিন থেকে নিজ দায়িত্বে টিকেট কিনে সবাই যানবাহনে ওঠে।

কোন সিকিউরিটি গার্ড নেই। কিন্তু সবাই সুশৃঙ্খল।


তরুণদের আন্দোলনের কারণঃ আশা ও হতাশা

কোটার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের আন্দোলন। তরুণদের এসব আন্দোলন শুধুমাত্র চাকরী পাওয়া বা একজন ড্রাইভার এর শাস্তির দাবী ভাবলে সেটা অনেক বড় ভুল হবে।

সত্যি বলতে আমরা তরুণরা অনেক হতাশাগ্রস্থ একটা সমাজে বেড়ে উঠেছি।