হুমায়ুন আজাদের জন্মদিন উপলক্ষে তার কিছু কবিতা

ভালো থেকো

ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো।
ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো।
ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা।
ভালো থেকো পাখি সবুজ পাতারা।
ভালো থেকো

আমার অযোগ্যতা

আমি একটা নর্দমার কীট, তোমার পা ধরলে নোংরা হয়ে যাবে,
ক্ষমা চাইতে গেলে তুমি তাই দূরে সরে যাও।
তোমার কাছে ক্ষমা পাব কি করে? মাফ চাইতে গিয়ে
পা ধরতে না পারলে, ক্ষমা যে পাওয়া হবে না।

আমার জায়গা তোমার পায়েরও অনেক নিচে
যেখান থেকে তোমার স্পর্শ পাওয়া দূরে থাক
আমার চিৎকারও তোমাকে ছুতে পারবে না।

আমার গায়ে নর্দমার গন্ধ, তুমি মাস্ক পরে আমার কাছে এসো
তোমার নাকের সংবেদন আমার গন্ধে ধ্বংস হয়ে যাবে।
পঁচে যাওয়া ময়লার কালোয় সব রঙ ঢেকে গেছে আমার
আমাকে দেখার জন্য কোন চশমাই আর যথেষ্ট নয়।

আবর্জনা, নোংরা সব পঁচে লেগে থাকে আমার সারা গায়ে
নর্দমার পানিতে গোসল করে আরও নোংরা হই আমি।
আমি নর্দমার কীট, তোমার অযোগ্য।


সামাজিক মস্তিষ্ক/ মিলিত মস্তিষ্ক

একক চেষ্টায় তেমন কিছু করতে পারে না মানুষ। জীবনের বেশিরভাগ কাজই অন্য একজন বা অনেকের উপর নির্ভরশীল। বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও এটা সত্যি। একজনের চিন্তা অনেক বড় কিছু অর্জন করার জন্য যথেষ্ট নয়। এজন্য দরকার একের অধিক ব্যক্তির সম্মিলিত প্রয়াস। একাধিক ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তার সংযোগের জন্য দরকার কার্যকরী যোগাযোগের। মানুষের যোগাযোগের একটি সহজাত মাধ্যম তার ভাষা। কথা বলে একজন আর একজনের মধ্যে নিজের চিন্তা-ভাবন ঢুকিয়ে দেয়।  মজার ব্যপার হল, চাইলেও অনেক সময় আপনি এমন চিন্তা দূর করতে পারেন না, যেটা অন্য মানুষ আপনার মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।

কবিতা লেখার ব্যর্থ চেষ্টা

জীবনে কখনও কবিতা টাইপ কিছু লেখার চেষ্টা করে নাই, এমন মানুষ খুব কমই আছে আমিও ব্যতিক্রম না মাঝে মাঝে অগোছালো চিন্তাগুলো গদ্যে প্রকাশ করা কঠিন হয়ে যায়, পদ্যই শ্রেয়। এই মনে করে, ২০১৪ সালের বসন্তের কোন একদিনে এইসব আজগুবি জিনিস লিখে ফেললাম। :p

১। প্লিজ তুমি একা থেকো না
--------------------------------------
এই একা মেয়ে তুমি প্রেম করো
যত তাড়াতাড়ি পারো।
জড়িয়ে পরে কোন সম্পর্কের ভিতরে
তলিয়ে যাও তার অতল গভীরে