ফ্রেঞ্চ রেস্টুরেন্ট

রন্ধনশীল্পে মানে রান্নায় ফরাসীদের উপরে কেউ নেই। তাদের রান্নার স্বাদ একেবারে বিশুদ্ধ। এত সূক্ষ স্বাদের রান্না আগে কখনও খাইনি। কয়েকদিন আগে ফ্রেঞ্চ রেস্টুরেন্ট ব্রাসি বুলং এ খেতে গিয়ে এই কথাই মনে হল (ফ্রেঞ্চ রেস্টুরেন্টে এর আগে খাইনি)। গোট চিজ আর সবজির স্টার্টার অনেক ভাল লেগেছিল। কিন্তু সবজি আর আচার এর সাথে রান্না করা স্যামন মাছের ফিলেট খেয়ে বুঝলাম ফরাসী খাবারের এত নাম-ডাক কেন। প্রত্যকটা স্বাদ একদম ফ্রেশ আর সবকিছু মিলিয়ে খেলে মনে হচ্ছিল স্বাদের এর থেকে ভাল কম্বিনেশন আর হতে পারেনা। ডেজার্টেও একই ব্যপার। ক্রিমের সাথে চকলেট আর বাদামের কেকের মত সাধারণ জিনিসকেও অসাধারণ করে রান্না করেছে। কোন কিছুর স্বাদই নষ্ট করেনি আবার একসাথে খেতে দারুণ। এখানেই যদি খাবার এত ভাল হয়, তাহলে প্যারিসের রেস্টুরেন্টগুলোর রান্না কত ভাল হবে!



মারওয়ার কথা মনে হচ্চে। ও কিছুদিন পর প্যারিসে পিএইচডি করতে যাবে। আহা! ওর কত আনন্দ।

সেদিন একটা মজার ঘটনাও ঘটে গিয়েছিল অবশ্য। রেস্টুরেন্টের টয়লেটে পুরুষ আর মহিলা শব্দ দু'টি ফরাসী ভাষায় লেখা। এক দরজায় লেখা হোম আর এক দরজায় লেখা ফেমা। ফেমার সাথে ফিমেলের মিল থাকায় বুঝে গেলাম এইটা মহিলাদের বাথরুম। তাহলে অন্যটা অবশ্যই ছেলেদের হবে। তারপরও নিশ্চিত হতে একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম এইটা ছেলেদের টয়লেট? সে উত্তর দেয়ার আগেই মেয়েদের টয়লেট থেকে তখনি বের হওয়া একটা মেয়ে ছেলেদের টয়লেট দেখিয়ে দুষ্টামি করে বলল, ঐটা মেয়েদের টয়লেট। এইটা ছেলেদের। এইটাতে যাও। আমি বললাম, সমস্যা নাই। আজকে মেয়েদের টয়লেটেই যাই।

লেখাটি শেয়ার করুন

Share on FacebookTweet on TwitterPlus on Google+


ইমোটিকনইমোটিকন