বই পড়া

আমার স্কুল জীবন পার করেছি কুড়িগ্রামে। ছোট শহর হওয়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে বিষয়ে পড়ার ব্যবস্থা সেখানে খুবই কম ছিল। ইন্টারনেট তখনও সেভাবে আসেনি। আর বোর্ড বইয়ের বাইরের কোন বই কুড়িগ্রামে পাওয়া কঠিন ছিল। তারপরও স্কুলের পড়াশুনা চুকিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের একটা সাবজেক্ট পড়ে এখন বিশ্ববিখ্যাত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরোসায়েন্সে পিএইচডি করছি; এর অনেকটা কৃতিত্ব আমার জীবনে পড়া বইগুলোর।


বৃষ্টির প্রতি ভালবাসা

বৃষ্টি নিয়ে কাব্যিক ঢঙে এই কথাগুলো লিখেছিলাম সম্ভবত ২০১৪-১৫ সালের দিকে। আজকে হঠাৎ করে লেখাটা পড়ে মনে হল আগে কখনও আপলোড করা হয়নি। যদি আপলোড করেও থাকি আরেকবার পড়ে নিতে পারেন। অনুভূতিপ্রবণ একটা লেখা।
 
 
=o=

লিসবন যাচ্ছি

আজকে রবিবার। ছুটির দিন। তারপরও কাল পর্তুগালের রাজধানী লিসবন যাচ্ছি বলে হাতের কিছু কাজ সারতে বিকেল বেলা ল্যাবে গেলাম।


গণতান্ত্রিক দেশে মানুষ আন্দোলন কেন করে?

কারণ আন্দোলনের মাধ্যমেই একমাত্র জনগণের মনের কথা জানা যায়।

মিডিয়ায় কথা বলা, টকশো, সরকারকে স্মারকলিপি প্রদান এগুলোর মাধ্যমেও আমরা আমাদের নিজেদের ইচ্ছা সরকারকে জানাতে পারি। তবে সেটা সাধারণত মুষ্টিমেয় লোকের ইচ্ছার কথা। ইস্যুর ভিত্তিতে সমষ্টীগত জনগণের ইচ্ছা প্রকাশের একটাই উপায়। আর সেটা হল আন্দোলন।


নিজেই নিজের পুলিশ ও বিচারক

গতমাসে জার্মানির বার্লিন শহরে গিয়ে একটা বিষয়ে আমি বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

শহরের কোন বাস, ট্রেন বা ট্রামে টিকেট চেক করা হয়না। কিন্তু মেশিন থেকে নিজ দায়িত্বে টিকেট কিনে সবাই যানবাহনে ওঠে।

কোন সিকিউরিটি গার্ড নেই। কিন্তু সবাই সুশৃঙ্খল।


তরুণদের আন্দোলনের কারণঃ আশা ও হতাশা

কোটার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের আন্দোলন। তরুণদের এসব আন্দোলন শুধুমাত্র চাকরী পাওয়া বা একজন ড্রাইভার এর শাস্তির দাবী ভাবলে সেটা অনেক বড় ভুল হবে।

সত্যি বলতে আমরা তরুণরা অনেক হতাশাগ্রস্থ একটা সমাজে বেড়ে উঠেছি।


আন্দোলনঃ তারুণ্যের শক্তি

ওরা বাচ্চা না। ওরা শিশুও না। অনেক পূর্ণবয়স্ক মানুষের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত।

সেটা ওদের আন্দোলনের ধরণেই সবাই টের পেয়ে গেছে আশা করি।

আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যা হল সঠিক বয়সে আমরা কাউকে কাজে লাগাই না।


বার্লিনে প্রথমবার

১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে একবার শখ করে জার্মান ভাষা শেখা শুরু করলাম। বিকেলে আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা অনুষদে ক্লাস হত। কিছুদিনের মধ্যে বেশ কিছু শব্দ আর বাক্য বলা শিখে গিয়েছিলাম। এরপর ডিপার্টমেন্টের ক্লাস আর পরীক্ষার চাপে জার্মান ভাষা শেখা চালিয়ে যেতে পারিনি।


বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে দুটি পর্যবেক্ষণ

বিশ্বকাপটা এবার একটু অন্যরকম। এমন একটা দেশে বসে বিশ্বকাপ দেখছি যারা নিজেরাই বিশ্বকাপে খেলছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হল বিশ্বকাপের কোন শোরগোল এখানে নেই।


সমন্বিত উদ্যোগ

কিছুদিন আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) মহাকাশে তাদের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল। এই ঘটনায় দেশবাসী মোটামোটি দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এক ভাগ অনেক গর্বিত হয় আর একভাগ বলতে থাকে, এই টাকা তো অন্য খাতে ব্যয় করা যেত। গরীবের আবার স্যাটেলাইট!